রমজান
ইফতার
২০২০
এই রমজানে দরিদ্র ও
অভাবীদের খাওয়ান
প্রিয় ভাই ও বোনেরা।
আমরা প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি।
আপনারা যারা এই মহৎ কাজে সহায়তা করতে চান তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
যোগাযোগ: info@pathwaybd.org

আসন্নইফতার

সর্বোত্তম মানবিক জীবনের জন্য আমাদের যাত্রায় অংশ নিতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি

"পাথওয়ে'র" ইফতার তহবিল কেন?

একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে পাথওয়ে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের একটি দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। প্রতিবছর পাথওয়ে সাধারণ মানুষদের জন্য বিনামূল্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে। খুব সহজেই সংস্থাটির এসব মহৎ কাজে সহায়তা দানের মাধ্যমে যে কেউ অংশ নিতে পারে। পাথওয়ে তার নিয়ম এবং বিধি অনুযায়ী চলার মাধ্যমে আপনাদের এই সহায়তামূলক অংশগ্রহণকে বিশ্বাস এবং আস্থার সাথে মূল্যায়ন করে থাকে।

কিভাবে পাথওয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়??

প্রতি বছর রমজান মাসে পাথওয়ে দরিদ্র, অসহায় এবং মুসাফিরদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে থাকে। আমাদের খাবারের প্যাকেট গুলো এমন ভাবে সাজানো থাকে যার মধ্যে একজন মানুষের মৌলিক পুষ্টি গুনাগুন বিদ্যমান খাবার দেয়া থাকে।

এই খাবারগুলো আমাদের সাধ্য অনুযায়ী মানুষদের কাছে প্রতিদিন পৌঁছে দেই। প্রতিবছর আমাদের এই ইফতার কার্যক্রম বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হয়। এসব প্রচারিত নিউজ এর কপি এবং আমাদের নিজস্ব ধারণ করা ভিডিও ক্লিপস আমাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা আছে।
এই বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ কার্যক্রমে আপনার অনুদান দুস্থ, গরিব এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের খাবার জোগাতে সহায়তা করবে।

এর মাধ্যমে কিছু সময়ের জন্য হলেও অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। এসব অভাবগ্রস্ত দরিদ্র মানুষদের খাবার জোগাতে সহায়তা দানের মাধ্যমে আপনিও এগিয়ে আসুন।
Image

IFTAR DONATION 2020

Each moment in Ramadan is significant,
But the Iftar moment has a different, gratifying feeling.
Together we can do extraordinary things.
Donate this Ramadan and make a difference!

কল্যাণ সহায়তার একটি চমৎকার ক্ষেত্র:

পাথওয়ে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা। অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধনের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উপযুক্ত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দরিদ্র, অভাবগ্রস্ত মানুষকে সহযোগিতা করা পাথওয়ের লক্ষ্য। সমাজের পিছিয়ে পড়া জন গোষ্টির জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি টেকসই ও উন্নত সমাজ গঠন করা পাথওয়ের উদ্দেশ্য।

পাথওয়ে বিশ্বাস করে পরিবেশগত দিক থেকে একটি সুন্দর, নিরাপদ, ও লিঙ্গ বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা যা বাংলাদেশে সংস্থাটির লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সাহায্য করবে। অন্যন্য সকল কর্মকান্ডের মধ্যে পাথওয়ে দরিদ্র এবং অভাবগ্রস্ত মানুষদের কল্যাণে নেয়া পদক্ষেপগুলোকে বেশি প্রাধাণ্য দেয়।

পাথওয়ে কর্তৃক টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে সমাজ থেকে বাল্য বিবাহ দূরীকরণ, অশিক্ষিতদেরকে শিক্ষার আলো দেখানো, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ, শিশু শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান, স্কুল, কলেজ, প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করা এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ, বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিতে কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য।

নিরাপদ ও ভারসাম্যমূলক পরিবেশ রক্ষায় পাথওয়ে খুবই সচেষ্ট। বৃক্ষ রোপনে উৎসাহ প্রদান ও বৃক্ষ নিধণের ক্ষতিকারক দিক গুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে পাথওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে। সোলার ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন গ্যাস কমিয়ে আনার বিষয়ে উৎসাহ প্রদানের মধ্য দিয়ে পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপও নিয়েছে পাথওয়ে।

সুবিধা বাঞ্চিত ও পথশিশুদের কল্যাণে পাথওয়ের বাৎসরিক বিভিন্ন কর্মসূচী রয়েছে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহায়তায় পাথওয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় মানুষকে সতর্ক করতে পাথওয়ে কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে। স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচীসহ অসহায় মানুষদের পুনর্বাসন, বিশেষ করে শারিরীক প্রতিবন্ধীদের সুযোগ সুবিধা দেয়া, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করাও পাথওয়ের কর্মসূচীতে রয়েছে।

এধরনের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি প্রতিবছর পাথওয়ে “বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ” কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে থাকে। প্রতিবছর পাথওয়ে বিভিন্ন রোজাদারদের মধ্যে যারা বিভিন্ন বাস টার্মিনালে বসবাস করে, দরিদ্র, অসহায়, এমনকি পথচারীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে থাকে। অসহায় ও গৃহহীনদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে পাথওয়ে।

পাথওয়ের এই বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ কর্মসূচীকে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষরা একটি মহৎ উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে। পাথওয়ের ইফতারের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন খিচুড়ি/বিরিয়ানি এবং পানি ও ফল রয়েছে।

অসহায় মানুষদের সহায়তার মাধ্যমে উদারতা দেখানোর এটা মুসলিম উম্মার জন্য একটি উপযুক্ত সময়্। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে পুষ্টি, অন্য, বস্ত্র, বাসস্থানহীন অনেক মানুষ রয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের এসব চাহিদা পূরণ করা আমাদের দায়িত্ব।


এই কল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে পাথওয়ে রমজান মাসে ইফতার বিতরণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, দুস্থ অসহায় মানুষের কাছে ইফতারের খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া, বিশেষকরে যারা বাড়ি ঘর না থাকায় রাস্তায় বসবাস করে এবং খাবার যোগাড় করার ক্ষমতা নেই।
রমজান এমন একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাস, যে মাসে আমরা পূণ্যের আশায় বিভিন্ন মহৎ ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ড করে থাকি। রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ খুবই মহৎ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি কাজ যার প্রতিদান অনেক।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এ প্রসঙ্গে বলেছেন, এই মাসে যে ব্যক্তি কোনো রোজাদাকে ইফতার করাবে, ফলস্বরূপ তার গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে ও জাহান্নাম হতে তাকে নিষ্কৃতি দান করা হবে। আর তাকে আসল রোজাদারের সমান সওয়াব দেয়া হবে। কিন্তু সেজন্য আসল রোজাদারের সওয়াব কিছুমাত্র কম করা হবে না।

Take Part in Our Iftar Donation Program

সমস্যা যেখানেঃ

বাংলাদেশ পৃথিবীর একটি অন্যতম জনবহুল এবং উন্নয়নশীল দেশ। একটি বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী এদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে, এরপরে তাদেরকে চরম ক্ষুধার যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। এদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ দিনে এক বেলা খাবার জোগাড় করতে সক্ষম। অনেকেই চাকরির আশায় বিভিন্ন জেলায় বিশেষ করে ঢাকায় পাড়ি জমায় তবে চাকরি জোটাতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে তারা মাদক এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত হয়। এদের অনেকেই মনে করে এই মাদকাসক্তি ক্ষুধার যন্ত্রণা ভুলিয়ে রাখে।


বাংলাদেশে শতকরা ২৪.৩ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে এবং তাদের মধ্যে চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে শতকরা ১৭.৬ ভাগ যা আমাদেরকে দেখিয়ে দেয় কি পরিমান সমস্যার মধ্য দিয়ে তারা জীবন যাপন করছে। ঢাকা শহরে ক্ষুধার যন্ত্রণায় শিশুদেরকে ভিক্ষা করতে দেখা যায়। গৃহহীন, বৃদ্ধ, বয়স্ক নারী এমনকি প্রতিবন্ধী মানুষদেরকে রাস্তা, টার্মিনালসহ বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষা করতে দেখা যায়। রমজান মাসে এসব অসহায় মানুষদের অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়। তাদের অনেকেই রোজা ভাঙ্গার জন্য অথবা ইফতার করার জন্য খাদ্য কেনার সামর্থ্য রাখে না। অনেক পরিবারের কাছেই ইফতার করার জন্য কিছুই থাকেনা।

এই পরিসংখ্যান আমাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করে থাকে অন্যের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার, বিশেষ করে তাদের ওপর যারা সামর্থ্যবান এবং খাদ্য ও বাসস্থান জোগাড় করার সামর্থ্য রাখি। আমরা এই দায়িত্ব পালনে নৈতিকভাবে এবং ধর্মীয়ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এমনকি শেষ বিচারের দিন এ বিষয়ে আমরা জবাবদিহিতার মুখোমুখি হব।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-বলেছেন –

“আল্লাহ তা'য়ালা যখন বিচার দিবসে তার বান্দার বিচার করবেন তখন তিনি নিশ্চয় তার বান্দাকে বলবেন, “হে আদম সন্তান! আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম অথচ তুমি আমাকে খাওয়াওনি” সে উত্তর দিবে, যখন নাকি আপনি সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক তখন আমি আপনাকে কীভাবে খাওয়াতে পারি? তিনি বলবেন, “তুমি কি জানতে না যে, আমার বান্দা অমুকের পুত্র অমুক ক্ষুধার্ত ছিল কিন্তু তুমি তাকে খেতে দাওনি। হায়! তুমি যদি তাকে খেতে দিতে তবে তুমি তা (অর্থাৎ তার পুরস্কার) আমার নিকট পেতে। হে আদম সন্তান আমি তৃষ্ণার্ত ছিলাম অথচ তুমি আমাকে কিছু পান করতে দাওনি।” সে বলবে, আপনি হলেন সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক, আপনাকে আমি কীভাবে পান করতে দিতে পারি? তিনি বলবেন, “তুমি কি জানতে না যে আমার বান্দা অমুকের পুত্র অমুক পিপাসার্ত ছিল, কিন্তু তুমি তাকে পান করতে কিছু দাওনি। হায়! যদি তুমি তাকে পান করাতে হবে তার পুরস্কার আমার নিকট পেতে। “হে আদম সন্তান আমি অসুস্থ ছিলাম কিন্তু তুমি আমাকে দেখতে আসনি” সে বলবে, “আমি আপনাকে কীভাবে দেখতে আসতে পারি? আপনিতো সারা বিশ্বজগতের প্রতিপালক” তিনি বলবেন, “তুমি কি জানতে না যে, আমার বান্দা অমুকের পুত্র অমুক অসুস্থ ছিল, কিন্তু, তুমি তাকে দেখতে যাওনি। হায়! যদি তুমি তাকে দেখতে যেতে, তবে তুমি আমাকে তার নিকট পেতে।”

আল্লাহ তায়াআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন:
যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ। [ সুরা বাকারা ২:২৬১ ]

রমজান আরবি বর্ষপঞ্জির ৯ম মাস এবং ইসলাম ধর্মমতে সবচেয়ে পবিত্রতম মাস এটি। এই মাসে মুসলমানগণ ধর্ম চর্চার অংশ হিসেবে ভোর থেকে সুর্যাস্তের পর পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার ও যৌনক্রিয়াদি বর্জন করে থাকেন।

Join us in our 2020 Ramadan Iftar Donation campaign

And help to feed the poor and needy people

Media Coverage

Media Coverage of Iftar Program

Who we are?

Pathway a leading non-profit organization in Bangladesh, which aims to help the poor and disadvantaged people along with fighting against climate change, providing training to third gender people, etc. Pathway runs various social welfare programs throughout the year.
Pathway believes education is for all. As one of our primary focus, we provide education to street children. Currently, we have 500 students and 62 teachers and staffs who are taking care of these children. We offer a great environment for the street children to learn with fun and creativity.

Unemployment problem is one of the greatest problems in our country. Currently 30 million people are unemployed and the number is increasing every year with a high rate. Pathway runs programs to train the unemployed so that they can be self-employed and also help them to go abroad.

Road safety is another concern in our country. Pathway runs driving program to make our roads safe and sound. Some of our key features are providing free training to working women and third gender people, help to get driving license, get job at the end of the training etc.
To help people with disabilities, Pathway put its effort to bring them in normal life and provides training and job if necessary,
With qualified doctors and staffs who are experts in providing services, Pathway runs a number of health programs including health services for mothers and child and adolescents aged between 10-19. Along with providing medical counseling, free Friday clinic, blood donation program, free medicine. Our specialist doctors are always there to help the poor and helpless people.
Under road safety programs Pathway trains the drivers provides road safety education to the students, rises awareness through multimedia show, arranges road march, rally and discussion etc.

Bangladesh is frequently affected by natural disasters due to climate change. Pathway always work with government to recover the disaster affected areas and to help the affected people. Also, it runs programs to make people aware and take precautious steps to reduce the damage.

Around 5 lakh people belongs to third gender in our country. These people are always neglected and people have some negative feelings towards them. Pathway also provides training to them and provides free study materials to their children. Besides Pathway makes publicity among the mass general to change their negative attitude towards the third gender.

One of the biggest programs run by Pathway every year is “Iftar Program” which takes place in the month of Ramadan. Like before Pathway will continue its Iftar Program in 2020 also.

Every year Ramadan comes to us with so much benefits. During this month Muslims fast from dawn to dusk and keep away from eating, drinking or wicked or improper exercises. It shows us self-restraint and control while remunerating us with Taqwa and enlightenment through obedience to ALLAH (SWT).

Frequently Asked Questions

Where Ramadan is celebrated?
The Islamic holy month of Ramadan is a period for Muslims around the globe to restore their emphasis on spiritual life. Ramadan is celebrated all over the world. Every Muslim around the world are bound to celebrate Ramadan every year.
When Ramadan start 2020?
In Islam, starting of a month depends on the Moon. This year Ramadan is expected to begin on the last week of April, most probably on 23rd April, Thursday.